download_8
ছবি: টিবিএস

এ বিষয়ে জানতে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও হল শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম শহীদ একটি গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমার হলের শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন ঝামেলা হওয়ায় কষ্টে বলে ফেলেছি। আমার এটি বলার কোনো ইচ্ছা ছিল না। আমি এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে ক্যান্টিনের একটি সিটে বসাকে কেন্দ্র করে শাহ মখদুম হল ও নবাব আব্দুল লতিফ হলের দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। এর জেরে এক শিক্ষার্থীকে ‘উল্টো করে ঝুলিয়ে পেটানোর’ হুমকি দিয়েছেন নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ও হল শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম শহীদ। 

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে শাহ মখদুম হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। 

বাগবিতণ্ডায় জড়ানো দুই শিক্ষার্থী হলেন- শাহ মখদুম হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ মাসুদ এবং নবাব আব্দুল লতিফ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আরিফ। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দুপুরে মাসুদ হলের ক্যান্টিনে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় তার পাশে বসতে চান আরিফ। মাসুদ তখন তাকে অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু মাসুদ টেবিলে থাকা সত্ত্বেও আরিফ একই টেবিলে বসে পড়েন। পরে আরিফ মাসুদের কাছ থেকে পরিচয় জানতে চাইলে মাসুদ বিরক্ত হন। এতে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। 

ঘটনার পরপরই শাহ মখদুম হলের সামনে আসেন নবাব আব্দুল লতিফ হলের জিএস নুরুল ইসলাম শহীদ। তিনি এবং তার হলের কয়েকজন শিক্ষার্থী মাসুদের সঙ্গে তর্কে জড়ালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় কয়েকজন উপস্থিত শিক্ষার্থী মাসুদের পক্ষ নেন। 

এক পর্যায়ে নুরুল ইসলাম শহীদ মাসুদের পক্ষ নেওয়া এক শিক্ষার্থীর উদ্দেশে বলেন, ‘আমি হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত, আমি আসব। তুই কে রে? তোকে ফারদার বললাম, এরকম আর হলে তোরে লতিফ হলের সামনে উল্টা ঝুলায় মারব। ওর রাহট আছে ও লতিফ হলে খেতে যাবে।’ পরে অন্যপাশ থেকে এক শিক্ষার্থী তাকে গালি দিলে তিনি আরও উত্তেজিত হয়ে বলেন, ‘ও গালি দেয় কেন? ও গালি দেয় কেন?’ 

মাসুদ বলেন, ‘আমি উনাকে একটু অপেক্ষা করতে বলি। কিন্ত তিনি সেটি না করে টেবিলে বসে আমার পরিচয় জানতে চান। এরপরে আমাদের মাঝে তর্কাতর্কি হয়। পরে উনি নিজের হলের শিক্ষার্থীদের ডাকেন এবং তারা এসে আমাকে হুমকি দেন।’ 

অন্যদিকে আরিফ বলেন, ‘আমি উনাকে একটু সরে বসতে বলি কিন্ত উনি সেটি না করে আমার ওপর চটে যান। আমি পরিচয় জানতে চাইলে তিনি উত্তেজিত হয়ে যান এবং গালি দেন।’ 

এ বিষয়ে জানতে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও হল শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম শহীদ একটি গণমাধ্যমে বলেন, ‘আমার হলের শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন ঝামেলা হওয়ায় কষ্টে বলে ফেলেছি। আমার এটি বলার কোনো ইচ্ছা ছিল না। আমি এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি।’