প্রতি উপজেলায় আলাদা পরীক্ষাকেন্দ্র করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
ডিসিদের প্রস্তাব ও আলোচনার তথ্য উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘খেলাধুলার মাঠ নেই, তারপরে এক্সামিনেশন হল (পরীক্ষাকেন্দ্র) নেই। আমরা তো এবার প্রজেক্ট (প্রকল্প) নিয়েছি, প্রতিটি উপজেলায় ‘মাল্টিপারপাস এক্সামিনেশন হল’ করব।’’
প্রতি উপজেলায় আলাদা পরীক্ষাকেন্দ্র করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী
ডিসিদের প্রস্তাব ও আলোচনার তথ্য উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘‘খেলাধুলার মাঠ নেই, তারপরে এক্সামিনেশন হল (পরীক্ষাকেন্দ্র) নেই। আমরা তো এবার প্রজেক্ট (প্রকল্প) নিয়েছি, প্রতিটি উপজেলায় ‘মাল্টিপারপাস এক্সামিনেশন হল’ করব।’’
দেশের প্রতিটি উপজেলায় আলাদা পরীক্ষার কেন্দ্র করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
আজ রোববার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের প্রথম দিনে আজ রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা জানান।
ডিসিদের প্রস্তাব ও আলোচনার তথ্য উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘খেলাধুলার মাঠ নেই, তারপরে এক্সামিনেশন হল (পরীক্ষাকেন্দ্র) নেই। আমরা তো এবার প্রজেক্ট (প্রকল্প) নিয়েছি, প্রতিটি উপজেলায় “মাল্টিপারপাস এক্সামিনেশন হল” করব।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকরা জানিয়েছেন জিপিএ-৫ পাওয়ার জন্য গার্ডিয়ান (অভিভাবক) এবং স্টুডেন্ট (শিক্ষার্থী) সবাই অস্থির হয়ে থাকে। এ থেকে বেরিয়ে আসা যায় কি না। ক্লাসরুমে হোয়াইট বোর্ড দেওয়া হয়েছে, দুই ফিট বাই তিন ফিট। একটি কলমের দাম ৬০ টাকা, যেখানে ২০ টাকায় এক বক্স চক পাওয়া যেত। এই ৬০ টাকা সেভ করার জন্য অনেকেই ক্লাসরুমে তেমন লেখে না। তাহলে কি আমরা ব্ল্যাকবোর্ডে যেতে পারি না? কখনো আমরা পেছনে যাচ্ছি, কখনো আমরা সামনে যাচ্ছি; উনারা যা দেখছেন, তা-ই আমাদের বলেছেন।’
ডিসিরা শিক্ষাকে আনন্দঘন করার সুপারিশ করেছেন বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘উনারা বলেছেন যে শিক্ষার্থীরা স্কুলে আসতে চায় না, তারা আনন্দঘন স্কুল চায়।
জেলা প্রশাসকরা কওমি মাদ্রাসাগুলোর জন্য নীতিমালা করার সুপারিশ করেছেন বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।
৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ
শিগগির এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকে সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগ মামলার কারণে আটকে আছে। আমাদের এই ডেডলক থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। অপরদিকে প্রাথমিকে বিগত সরকার তড়িঘড়ি করে ১৪ হাজার ৩০০ শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছিল। সেটাকেও আমরা ডিসিপ্লিনে নিয়ে আসতেছি। সেটাকে আমরা আস্তে আস্তে নেব। এরপরেই আবার ৭৭ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। ৭ হাজার নিয়োগ দিতে হবে আমাদের সরকারি হাই স্কুলগুলোয়।