bobby_hajjaj
File photo of State Minister Bobby Hajjaj. Photo: Collected

প্রাথমিক শিক্ষার চলমান সংস্কার ও নতুন উদ্যোগে গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফর এডুকেশন (GPE) থেকে বাংলাদেশে আরও অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা চেয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে GPE-এর উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন ‘Multiply Possibility: A New Era for Education Financing’-এ অংশ নিয়ে তিনি এ আহ্বান জানান।
সম্মেলনের সাইডলাইনে GPE-এর ডেপুটি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ডেপুটি সিইও) চার্লস নর্থের সঙ্গে বৈঠকেও বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতে GPE-এর অর্থায়ন ও কারিগরি সহায়তা সম্প্রসারণের বিষয়টি তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কার, শিক্ষক উন্নয়ন, প্রযুক্তিনির্ভর মনিটরিং এবং শিশুদের শিখনফল উন্নয়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠকে ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। শুধু বিদ্যালয়ে শিশুর উপস্থিতি নয়, শ্রেণিকক্ষে প্রকৃত শিখন ও ভবিষ্যৎ কর্মদক্ষতা নিশ্চিত করাই এখন মূল লক্ষ্য।
এ লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে GPE-এর সহযোগিতা আরও বাড়ানোর আহ্বান জানান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চার্লস নর্থ বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকার ও চলমান উদ্যোগগুলোর প্রশংসা করেন। তিনি বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে GPE-এর সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণের বিষয়ে ইতিবাচক আশ্বাস দেন।
এ সময় বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার নিয়ে GPE-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
ববি হাজ্জাজ GPE-এর সিইও লরা ফ্রিজেন্টি এবং ডেপুটি সিইও চার্লস নর্থকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। তাদের সফরের মাধ্যমে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা খাতের অগ্রাধিকার, চলমান সংস্কার ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সরেজমিনে পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানান তিনি।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬ সালে বাংলাদেশ GPE-এর কাছ থেকে ৯৮ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অনুদান নিশ্চিত করেছে। শিক্ষা খাতে GPE-এর বর্তমান অর্থায়ন আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই প্রতিমন্ত্রী উচ্চপর্যায়ের এ আয়োজনে অংশ নেন।
নিউইয়র্কের জাতিসংঘ সদরদপ্তরের ECOSOC Chamber-এ ২৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত সম্মেলনটি জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের (UNGA81) সাইডলাইনে আয়োজন করা হয়। ইতালি ও নাইজেরিয়ার জাতিসংঘে স্থায়ী মিশন এবং GPE যৌথভাবে সম্মেলনটি আয়োজন করে।