টানা বৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হলে জলাবদ্ধতা, বিদ্যুৎহীন নারী শিক্ষার্থীদের ২ হল
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল সংসদের ভিপি বলেন, ‘হলে সকাল থেকেই বিদ্যুৎ নেই৷ মোবাইলের চার্জও শেষের দিকে। আজ যদি আবার দু-তিন ঘণ্টা বৃষ্টি হয় তাহলে নিচতলার রুমগুলোতেও পানি উঠে যাবে।’
টানা বৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকটি হলে জলাবদ্ধতা, বিদ্যুৎহীন নারী শিক্ষার্থীদের ২ হল
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল সংসদের ভিপি বলেন, ‘হলে সকাল থেকেই বিদ্যুৎ নেই৷ মোবাইলের চার্জও শেষের দিকে। আজ যদি আবার দু-তিন ঘণ্টা বৃষ্টি হয় তাহলে নিচতলার রুমগুলোতেও পানি উঠে যাবে।’
টানা বৃষ্টিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) কয়েকটি হলে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে মেয়েদের দুটি হলে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েক হাজার আবাসিক শিক্ষার্থী।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণ থেকে ভিসি চত্বর, গণিত ভবন, কার্জন হল ও পলাশী এলাকায়ও জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
আজ রোববার (১২ জুলাই) দুপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
দুপুরে নিউমার্কেট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হল ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের গেটের আশপাশে কোথাও হাঁটুপানি আবার কোথাও কোমর পর্যন্ত পানি জমে গেছে। হল দুটিতে বিদ্যুৎ নেই। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এই দুই হলের নারী শিক্ষার্থীরা।

ছবি: টিবিএস
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) তাসনিম আক্তার আলিফ নাবিলা দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে বলেন, ‘হলে সকাল থেকেই বিদ্যুৎ নেই৷ মোবাইলের চার্জও শেষের দিকে। আজ যদি আবার দু-তিন ঘণ্টা বৃষ্টি হয় তাহলে নিচতলার রুমগুলোতেও পানি উঠে যাবে।’
হলটির আরেকজন আবাসিক শিক্ষার্থী ফারজানা রহমান নদী টিবিএসকে বলেন, ‘পুরো হলে জলাবদ্ধতা। জলাবদ্ধতার কারণে হলের দোকানগুলো বন্ধ, খাবারের সংকট আছে। হল থেকে যে বের হয়ে কারও বাসায় যাব সে পরিস্থিতিও নেই, হলের সামনের সড়কে কোমর সমান পানি। খুব অসুবিধায় আছি।’

ছবি: টিবিএস
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ হল, সার্জেন্ট জহুরুল হক হল ও সলিমুল্লাহ মুসলিম হল ঘুরে দেখা গেছে, হলগুলোর মাঠ ও অভ্যন্তরীণ সড়কে ব্যাপক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি শহীদুল্লাহ্ হলের নিচতলার কক্ষগুলোর বারান্দায়ও পানি উঠেছে।

ছবি: টিবিএস
দুপুরে হলটির আবাসিক শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জুনায়েদ আবরার টিবিএসকে বলেন, ‘হলের মাঠে বুক পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। আরও কিছুক্ষণ বৃষ্টি হলে নিচতলার কক্ষগুলোতে পানি প্রবেশ করবে। ক্যান্টিন চালু আছে তবে খাবার ভবনে এনে সরবরাহ করা হচ্ছে।’